8 ok theme: রান্না-বান্না
Headlines News :
Powered by Blogger.

Latest Post

Showing posts with label রান্না-বান্না. Show all posts
Showing posts with label রান্না-বান্না. Show all posts

সেহেরীতে থাকুক নিরামিষ

Written By Jibon Islam on Saturday, August 6, 2016 | 1:10 PM

যাত্রা শুরু করে ফেলেছে রমজান মাস। প্রতিদিন চলছে রোজা রাখার পালা। সুবহে সাদিক থেকে শুরু করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অভুক্ত থেকে আল্লাহর নিকট নিজেকে শপে দেয়ার আরেক নাম রোজা রাখা। যেহেতু সারাদিন অভুক্ত থাকতে হবে তাই ভোরবেলায় সেহেরীতে হওয়া চাই পর্যাপ্ত পুষ্টিকর ও সুস্বাদু খাবার। এমনই এক সুস্বাদু ও মজাদার খাবার নিয়েই আমাদের আজকের সেহেরীর খাবারের আয়োজন। আসুন জেনে নেই তার রন্ধন প্রনালি।- পাঁচমিশালি সবজি উপকরনঃ * আলু- ১০০ গ্রাম, * মিষ্টি কুমড়া- ১০০ গ্রাম, * গাজর- ১০০ গ্রাম, * মটর- ২০০ গ্রাম * ফুলকপি- ১০০ গ্রাম * গাজর- ১০০ * টমেটো- ১৫০ গ্রাম, * আদা বাটা- ১ চা চামচ, * পাঁচফোড়ন- দেড় চা চামচ, * হলুদ- এক চা চামচ * তেল- এক কাপ * লবন- স্বাদমত প্রণালীঃ * প্রথমে সব তরকারি সমান মাপে চারকোনা করে কেটে ধুয়ে নিটে হবে। * এরপরে একটি প্যান বা কড়াই নিয়ে তাতে তেল গরম করতে হবে। * কড়াইয়ে তেল গরম হলে তাতে পাঁচফোড়ন ছেড়ে দিয়ে হালকা ভেজে নিতে হবে। * পাঁচফোড়ন থেকে সুগন্ধ বের হলে তাতে আদা বাটা দিতে হবে। * মশলা ভাল মত কষানো হয়ে ঘ্রান ছড়ালে তাতে শক্ত সবজি যেমন আলু ও মটর দিতে হবে। * এই সবজিগুলো সামান্য সিদ্ধ হলে বাকি সব তরকারি যা কম সময়ে সিদ্ধ হয় তা দিতে হবে। সাথে টমেটো পিউরি করে দিতে হবে। * সবজি ও টমেটো দেয়ায় পরে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে সিদ্ধ হওয়ার জন্য। সাথে লবন দিতে হবে। * তরকারীর পানি শুকিয়ে ঘন হয়ে এলে লবণ দেখে নামিয়ে পরিবেশন করতে হবে। চাইলে ছড়িয়ে দিতে পারেন ভাজা কাজু বাদাম। মজাদার এই সবজি সেহেরির খাবারের স্বাদ বারাবে বই কমাবেনা। তাহলে দেরি না করে ঝটপট তৈরি করে ফেলুন এই সবজি এবং সেহেরিতে আনুন মজাদার বৈচিত্র্য।

রান্নাবাড়ায় মনে রাখুন

গৃহিণী হোক কিংবা চাকরিজীবী, মহিলাদের রেহাই নেই রান্নাবান্নার হাত থেকে। তবে রান্নাকে বাড়তি ঝামেলা মনে করেন খুব কম মহিলাই। ভালোবেসেই পরিবারের সদস্যদের জন্য রান্না করেন তাঁদের পছন্দমতো খাবার এবং তা খাইয়ে তৃপ্তিও পান বেশিরভাগ মহিলারাই। তবে রোজকার রান্না বান্নায় হয়ে যেতে পারে কিছু ভুলচুক যা খুবই স্বাভাবিক। তাই এসব কথা মাথায় রেখেই আজকে রান্না সম্পর্কিত কিছু টিপস দেয়া হলো যা রাঁধুনিদের কাজে লাগবে। পায়েস রান্নায় খেজুরের গুড়ের পায়েস কে না পছন্দ করে। কিন্তু দেখা যায় খেজুরের গুড় দিয়ে পায়েস রান্না করার সময় দুধ ফেটে যায়, জমাট বাধে না। এই অবস্থায় কি আর পায়েস রান্না জমে! তাই চুলায় দুধ জাল দেয়ার সময় দুধ ঘন হয়ে গেলে তা নামিয়ে ঠাণ্ডা করে তারপর গুড় মেশাবেন, গরম থাকতেই গুড় দিবেন না। তারপর ভালো করে নেড়ে আবার কিছুক্ষণ দুধটা ফুটিয়ে নিবেন। দেখবেন কি চমৎকার ঘ্রাণ বের হচ্ছে আর রঙটাও হয়েছে সুন্দর। সেমাই রান্নায় সেমাই রান্না করতে গেলে সেমাই অনেক সময় ভেঙ্গে যায় বা গলে যায় ফলে সেমাইয়ের আসল স্বাদটাই আর পাওয়া যায় না। তাই সেমাই রান্নার আগে তা তেলে বা ঘিতে হালকা ভেজে ঝরঝরে করে নিন তাহলে একেবারেই ভাঙবে না বা গলে যাবে না। কেক বেকিং করতে কেক বেকিং করার জন্য ডিমের ব্যবহার বাধ্যতামূলক। মূলত ডিমই কেকে স্বাদ আনে, এটা কেকের অন্যতম উপাদানও বটে। কিন্তু অনেক সময় এমন হয় যে বাসায় বেশি ডিম নেই কিন্তু কেক খেতেও খুব ইচ্ছা করছে। এমন সময় কি করা যায়! চিন্তা নেই, কেক বানানোর সময় পর্যাপ্ত ডিম না থাকলে কর্ণফ্লাওয়ার ব্যবহার করবেন। এটা ডিমের কাজটাই করে। কচু বা কচুশাক রান্নায় অনেকেই আছেন বলেন যে ওল, কচুশাক আমার খুব প্রিয় কিন্তু খেলেই গলা চুলকায় বলে সাধ থাকলেও খেতে পারিনা। তাহলে কি করা যায়! গলা চুলকানোর ভয়ে এতো মজার খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিতে হবে! না একদমই না, আপনি যা করবেন তা হলো- ওল, কচু বা কচুশাক রান্না করার সময় তেঁতুল ছেড়ে দিবেন আর যখন রান্নার পর খেতে বসবেন তখন তার উপর কিছুটা লেবুর রস চিপে নিবেন। ব্যস, হয়ে গেলো! গলা চুলকানোর আর কোনো ভয় নেই এখন। লবণ বেশি হয়ে গেলে তাড়াহুড়ায় রান্না করতে গেলে যে ভুলটা খুব হয় তা হলো তরকারিতে লবণ বেশি হয়ে যাওয়া। মাছমাংস বা তরকারিতে লবণ কম হলে তাও না হয় কাঁচা লবণ নিয়ে খাওয়া যায় কিন্তু লবণটা বেশি হয়ে গেলে কি উপায়! চিন্তা করবেন না, এই সমস্যারও সমাধান আছে। রান্নায় লবণ বেশি হয়ে গেলে কোনো টক কিছু দিয়ে দিবেন বা চিনি দিতে পারেন এতে করে খাবারের লবণাক্ত ভাব কমে যাবে। আর তারপরও যদি না কমে তাহলে তরকারিতে কিছু সেদ্ধ আলু ছেড়ে দিলেও লবণ কমে যাবে। মাছ ভাজার সময় মাছ ভাজার সময় তেল ছিটকে এসে গায়ে পরা বা হাত পুড়ে যাওয়ার ঘটনা নৈমিত্তিক। কিন্তু মাছ না ভেজে খাওয়াও তো যায় না। তাই মাছ ভাজার সময় সাবধানতার জন্য আগেই একটু তেলের মধ্যে লবণ ছিটিয়ে নিবেন। তাহলে আর তেল ছিটকে এসে হাত পুড়ে যাওয়ার ভয় থাকবেনা। মাংস সেদ্ধতে গরুর মাংস, মুরগির মাংস বা কলিজা রান্না করার সময় যেই ঝামেলাটা হয় তা হলো সহজে সেদ্ধ হতে চায় না। সবার বাসায় আবার প্রেসার কুকারও থাকেনা। এই রকম সমস্যায় আপনি যা করতে পারেন তা হলো মাংস রান্না করার সময় তাতে ১ টেবিল চামচ সিরকা দিবেন। এতে মাংস তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হবে এবং মাংসের উগ্র গন্ধটাও দূর হবে। পেঁয়াজ বেরেস্তা পোলাও খাবেন আর তাতে পেঁয়াজ বেরেস্তা ছড়ানো থাকবেনা তা কেমন করে হয়। লালচে পেঁয়াজ বেরেস্তা যেন পোলাওয়ের চেহারাটাই পাল্টে দেয়। তাই ঝটপট পেঁয়াজ বেরেস্তা লালচে করে ভাজার জন্য এতে সামান্য চিনি ছিটিয়ে দিন, তাড়াতাড়ি লালচে হয়ে ভাজবে। ঘন স্যুপ বাজারে বিভিন্ন রেডিমেট মুখরোচক স্যুপ পাওয়া যায় ঠিকই কিন্তু অনেকেই বাসায় তৈরি স্যুপ খেতে পছন্দ করেন। তবে তাড়াহুড়ায় দেখা যায় স্যুপ ঘন না হয়ে পাতলা পানি পানি হয়ে যায়। এরকম হলে যা করতে হবে তা হলো দুটো সেদ্ধ আলু ম্যাশ করে স্যুপের সাথে মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। দেখবেন স্যুপ আর পাতলা নেই। বেশ ঘন হয়ে রান্না হয়েছে। রান্নার সময় প্রয়োজনীয় জিনিস হাতের কাছে পাওয়া যায় না অনেক সময় তাই মশলাপাতি তাড়াতাড়ি খুঁজে পেতে কৌটার গায়ে নাম লিখে রাখতে পারেন তাহলে আর খোঁজ করতে হবেনা। তাড়াহুড়ায় কোনো কিছুই ভালো হয়না, বিশেষ করে রান্নার কাজ তো আরও না। তাই কালকে কী রান্না করবেন তা আগের রাতেই ঠিকঠাক করে রাখুন ও সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিন, দেখে নিন সব মশলা আছে কিনা, বাটার জন্য কিছু লাগবে কিনা। আগের থেকে সব ঠিক করে রাখলে অল্প সময়ে রান্না করা যাবে।

ম্যাঙ্গো লস্যি

গরম মানেই আম। খাওয়ার শেষে ফলের প্লেটেই হোক বা ক্ষীর, শেক, পুডিং অথবা লস্যি। এই গরমে রাজত্ব করবে আমই। কী কী লাগবে আম-১টা চিনি-১ টেবিল চামচ দই-১ কাপ কেসর-২,৩টে এলাচ গুঁড়ো-১চিমটে কীভাবে বানাবেন আম ভাল করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে আঁটি বের করে নিন। মিক্সিতে আম ব্লেন্ড করে নিয়ে কাঁচের বাটিতে ঢেলে ফেলুন। এবারে দই, চিনি আর বরফ কুচি একসঙ্গে মিক্সিতে ব্লেন্ড করে নিন। দইয়ের মিশ্রণে আম ঢেলে আরও একবার পুরোটা একসঙ্গে ব্লেন্ড করে ফেলুন। সবশেষে গ্লাসে ঢেলে এলাচ গুঁড়ো ও কেসর ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

নান রুটি

প্রতিদিন সকালে কিংবা বিকালের নাস্তায় অথবা যেকোন রেগুলার সময়ের খাবারে আপনি রুটি খেয়ে যাচ্ছেন। হালকা একটু পরিবর্তন করলে মুখের রুচির পরিবতন আনা যায়।বাসায় বানানো যায় নান রুটি। খেতে মজা, সফট এবং পেটেও থাকবে অনেক সময়! তবে প্রথমে বলে নেই, এই নান রুটি আপনি যে কোন তরকারী দিয়ে খেতে পারেন এবং শর্মা টাইপ কিছু করে রুটির পেটে ভরে স্যান্ডউইচও টাইপ বানাতে পারবেন। উপকরণ দুইকাপ ময়দা ( ৬ টা রুটির জন্য), এক চা চামচ ইষ্ট , এক চামচ চিনি, লবন (পরিমান মত), তেল (পরিমান মত) । প্রস্তুত প্রনালী একটি পাত্রে পানি গরম দিন ।খামির বানানোর পাত্রে দুইকাপ ময়দা নিন। মেজারমেন্ট বিষয়ক একটা পোষ্ট এখানে আছে। এক চা চামচ ইষ্ট নিন। তবে এর আগে ময়দায় পরিমান মত লবন ও এক চা চামচ চিনি দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন।ইষ্ট পানিতে গুলে নিয়ে ময়দায় দিয়ে মাখাতে থাকুন এবং প্রয়োজনমতো গরম পানি দিয়ে দিয়ে খামির বানান। এখানে একটু সাবধানে, যেহেতু চিনি আছে তাই আস্তে আস্তে অল্প অল্প পানি দিয়ে মাখাতে থাকুন। লক্ষ্য রাখবেন খামির যাতে বেশী নরম না হয়ে যায়। খামির হয়ে গেলে এবার তেল (অল্প অল্প করে) দিয়ে আবারো খামির মলে মলে আরো নরম করে নিন। খামিরকে একটা ধাতব/প্লাস্টিকের পাত্রে কিছুক্ষন রেখে গরম করা পানি পাত্রের উপর দিয়ে দিন (চুলা নিভিয়ে রাখুন)। পানি থেকে উঠা বাষ্প খামিরের তলায় লাগবে, খামির হালকা গরমে ফুলে উঠবে। মিনিট বিশেক পর খামির তুলে দেখুন। ফুলে বড় হয়েছে এবং ভাল ঘ্রাণ বেরুচ্ছে। রুটি বেলার জন্য খামিরকে ছয় ভাগে ভাগ করুন (ছোট বানাতে চাইলে দুইকাপ ময়দায় আটটি বানাতে পারেন) রুটি বেলে নিন। তাওয়া গরম করে সাধারন রুটির মত করে সেঁকে নিন। তবে ভাল একটা পাতলা কাপড় দিয়ে চাপ দিয়ে দিয়ে সেঁকে নিন। যাতে রুটির প্রতি অংশে আগুনের আঁচ লাগে। ব্যস, হয়ে গেল `হোম মেইড নান রুটি`! আপনার পছন্দ সই যে কোন তরকারী নিয়ে বসে যেতে পারেন। আমি নিশ্চিত রুটির তুলনায় অনেক অনেক ভাল লাগবে।

রমজানে তেতো করল্লার স্বাদ

করল্লা সবজি হিসেবে অসাধারণ। তেতো স্বাদের এই সবজি সঠিকভাবে রাঁধতে পারলে অন্য যে কোনো সবজির তুলনায় খেতে দারুণ স্বাদের হয়। শুধু স্বাদেই অনন্য নয় এই সবজি, আছে নানা গুণও। করল্লার যে কোন পদ আমাদের দেহের জন্য খুব উপকারী। বিশেষ করে এই পবিত্র রমজান মাসে যখন আমাদের নিয়মিত ডায়েটের যখন বদল ঘটে, তখন শারীরিক শক্তি ধরে রাখতে এবং রোজা রেখে সুস্থ থাকতে সাহায্য করতে পারে করল্লা। উপকারিতাঃ তিতকুটে স্বাদের সবজি করল্লায় আছে প্রচুর পরিমানে আয়রন যা আমাদের দেহে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করতে পারে। সেই সাথে আছে প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম যা যথাক্রমে এক আঁটি পালংশাক ও একটি কলার দিগুন। এসব উপাদান আমাদের হাড় ও দাঁত ভাল রাখতে সাহায্য করে। সেই সাথে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখে এবং হৃৎপিণ্ডের সুস্থতাও নিশ্চিত করে। আরও আছে বিটা ক্যারোটিন যা দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখে এবং চোখের নানা সমস্যার সমাধান করে। এখানেই শেষ নয়। একটি করল্লাতে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি যা ত্বক ও চুলের সুরক্ষা করে। সেই সাথে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতাও তৈরিতে সাহায্য করে। এছাড়াও আছে ম্যাগনেসিয়াম, ফলিক এসিড, জিঙ্ক, ফসফরাস জাতীয় নানা উপাদান ও খনিজ পদার্থ যা আমাদের সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। এতে আরও নানা ডায়েটারি ফাইবার যা কিনা আমাদের জন্য খুব জরুরী। কারন এই ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে যা আমাদের জন্য খুবই উপকারী, বিশেষ করে এই রোজার মাসে আমাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের যে সমস্যা দেখা দেয় তা দূর করতে সাহায্য করতে পারে করল্লা। এছাড়াও ডায়াবেটিসের রোগী যারা নিয়মিত রোজা রাখছেন তারা রোজার মাসে খেতে পারেন করল্লা দ্বারা তৈরি নানা খাবার। কারন এই সবজি পলিপেপটাইড পি ব্লাড ও ইউরিন সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। অর্থাৎ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে করল্লা। তাই ডায়াবেটিস রোগীরা ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে করলা বা করলার রস অথবা করলা সিদ্ধ খেতে পারেন এই রোজার মাসে এবং অনায়াসে রোজা রাখতে পারেন কোনো প্রকার দুশ্চিন্তা ছাড়াই। বহু গুণের এই সবজি এবং এর মজাদার এক রেসিপি নিয়েই করা হয়েছে আমাদের আজকের আয়োজন। আসুন জেনে নেই মজাদার আলু করল্লা ভুনা। উপকরণঃ করলা – ১টা বড় সাইজের আলু – ২টা ছোট সাইজের পেঁয়াজ বাটা – ৩ টেবিল চামচ হলুদ গুঁড়া- ১/২ চা চামচ ধনেগুড়া – ১ চা চামচ চামচ মরিচ গুড়া – ১/২ চা চামচ জিরা গুড়া – ১/৩ চা চামচ লবণ স্বাদমতো চিনি – ১ চিমটি তেল – ১/২ কাপ প্রণালীঃ ১. প্রথমে আলুর খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। ছোট ছোট আলু হলে ভালো। গোল গোল করে কেটে নিতে হবে ও ধুয়ে নিতে হবে। ২. এরপরে করলা নিতে হবে তবে করলার খোসা ছাড়াতে হবেনা। আলুর মত করে করলাও পাতলা করে স্লাইস করতে হবে। সবজি কাটা হয়ে গেলে আলাদা করা রাখতে হবে। ৩. এবার একটি পরিষ্কার প্যান না কড়াই নিয়ে তাতে তেল দিয়ে একটু গরম করতে হবে। তেল হালকা গরম হলে তাতে পেঁয়াজ দিয়ে নেড়ে নিয়ে ভাল করে ভাজতে হবে। ৪. পেঁয়াজ বাদামী রঙ ধারণ করলে এবার এতে একে একে হলুদ গুঁড়া, ধনে গুড়া, মরিচ গুড়া ও লবণ দিতে হবে। এরপরে ভাল করে নেড়ে নিয়ে সব মশলা ভেজে ভুনে নিতে হবে। ৫. মশলা ভুনা করা হয়ে গেলে এবার তার মধ্যে একে একে করলা ও আলু দিয়ে দিতে হবে। আলু ও করলা ভালভাবে কয়েকবার নেড়ে মশলার সাথে মিশিয়ে নিয়ে কষাতে হবে। কষানো হয়ে গেলে পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। এ সময় চুলার আঁচ কমিয়ে দিতে হবে। ৬. কিছুক্ষন পর ঢাকনা সরিয়ে আবার ভাল করে নেড়ে দিতে হবে। এভাবে একটু পরে পরে দুয়েকবার নেড়ে দিতে হবে। জিরা ছিটিয়ে দমে রেখে তেল ভেসে উঠলে নামিয়ে নিতে হবে। চাইলে চিনি দিতে পারেন, না দিলেও ক্ষতি নেই। চাইলে দিতে পারেন ধনে পাতাও। স্বাদে ও গুনে ভরপুর মজাদার এই ভাজি আপনার সেহেরীর স্বাদ বাড়িয়ে তুলবে বহুগুণে। করলার নানা উপকারতো জানা হয়ে গেল। সেই সাথে শেখা হয়ে গেল মজাদার একটি রেসিপিও। এত গুনে গুণান্বিত এই সবজি এবার তাহলে যোগ করে নিন নিজের সেহেরীর পাতে এবং পবিত্র এই মাসে নিজেকে ইবাদত বন্দেগীতে বিলীন রাখুন বিনা রোগ শোকে।
 
Support : Website | JIBON |
Copyright © 2011. 8 ok theme - All Rights Reserved
Created by MD.JIBON ISLAM Creating Website
Proudly powered by JIBON